রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্য হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ ও শোক মিছিল করেছে স্কুলের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। তারা রংপুর পুলিশ প্রশাসনকে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা (৫২), মেয়ে আগামী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম (১২) এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার ভোরে পুলিশ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। নিহত গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী থানায় হত্যা মামলা করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদক সেবনের ঘটনা জড়িত। তবে শিক্ষার্থীরা পুলিশের বক্তব্যে সন্দেহ প্রকাশ করে বলছেন, তদন্তে আরও বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
শিক্ষার্থীদের সমাবেশে সাবেক শিক্ষার্থী নূর বলেন, পুলিশের বক্তব্যে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও পুলিশের দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, গ্রেপ্তারকৃতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, তাদের ছেলে হত্যার সঙ্গে জড়িত নয়। স্থানীয়রা হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।