• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা পঞ্চগড়ে সড়কের টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব আত্মসাতের দাবি ঘোড়াঘাটে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা মাদক সেবন রোধে নজরদারি বাড়ানো ও জনসচেতনতার দাবী অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশু সোহানার দায়িত্ব নিলেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক দিনাজপুরের দুই কৃতি সন্তানদের সম্বর্ধনা দিলো দিনাজপুর ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি বেনাপোল- যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে

Reporter Name / ৭৪ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে

১৬৬

জিয়াউল আহসান, যিনি সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) ছিলেন, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে। তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এসব অপরাধের শিকার হন বিএনপিসহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

বর্তমানে জিয়াউলের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে, যার মধ্যে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ ও ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় করা মামলা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লায় বিএনপির পাঁচ নেতাকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় আরো দুটি মামলা রয়েছে। এই মামলার তদন্ত শেষ করতে আরও দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম সাক্ষ্য প্রদান শুরু করেন। এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূইয়া এবং জিয়াউলের সঙ্গে র‍্যাবে কর্মরত কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের কর্মকাণ্ডের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে।

প্রসিকিউশন জানায়, আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা ফরমাল চার্জে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জিয়াউল আহসান সরকারবিরোধী রাজনীতিবিদসহ অসংখ্য মানুষকে অপহরণ, গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি নিজে গুমের শিকার ব্যক্তিদের হত্যা করেছেন এবং তার অধীনস্থদের নির্দেশ দিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন।

এদিকে, তদন্ত চলমান রয়েছে আরো কয়েক শত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে। প্রসিকিউশন জানায়, ২০১০-২০১৩ সালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা ও নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে ‘গেস্টাপো’ বা ‘গলফ’ পদ্ধতিতে হত্যার ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে। এসব ঘটনার বিষয়ে পৃথক তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd