রাজধানীর মিরপুরে মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং ইসিবি চত্বর এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে, তবে এসব ঘটনায় দলের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।
রাজনৈতিক ও পেশিশক্তির প্রভাব খাটিয়ে ভূমি ও বাড়ি দখল, হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় দেশের নাগরিক সমাজ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ঘটনার ব্যাপক সমালোচনা চলছে। প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে এবং অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে তৎপর রয়েছে।
বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে। বিএনপি এসব ঘটনার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনার কথাও ভাবছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সরকার এসব ঘটনার জন্য দুঃখিত এবং তদন্তের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে।
এদিকে, দেশের ৩৮ বিশিষ্ট নাগরিক এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। তারা দাবি করেছেন, এসব ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য জড়িত। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।