• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকারের খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টনের বেশি পাইপলাইনে হামলার পর সৌদি আরবের তেল সরবরাহ বন্ধ ভিক্ষার টাকায় নিজের দাফন সম্পন্ন করলেন ওয়াহাব পাটোয়ারী সৌদি আরবের প্রতিবাদ, সিরিয়ায় নেতানিয়াহুর সফরকে অবৈধ ঘোষণা পাকিস্তানের অভিষিক্ত বোলারের রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে টেস্টে ফিরে আসা ইয়েমেনে হুথিদের ছদ্মবেশী যুদ্ধকৌশল নিয়ে উদ্বেগ বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর লাশের সঙ্গে ৫টি সুইসাইড নোট উদ্ধার এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল রেসে তরুণের মৃত্যু, বন্ধুরা পালিয়ে গেছে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় চীনা উপগ্রহের ছবি ব্যবহার করেছে ইরান শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ: উদ্বেগের কারণ

নিখোঁজ ২০৩৮ শিশুর সন্ধান মেলেনি এখনো

Reporter Name / ১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিখোঁজ ২০৩৮ শিশুর সন্ধান মেলেনি এখনো

গত বুধবার ঢাকার কমলাপুর এলাকা থেকে সাত বছরের অনিক (ছদ্মনাম) বাবা-মার সঙ্গে রাগ করে বাড়ি থেকে পালিয়ে ট্রেনে উঠে পড়ে। ময়মনসিংহ স্টেশনে নামার পর আশপাশের যাত্রীরা বুঝতে পারে শিশুটি একা। তাদের একজন কল করেন শিশু সহায়তা হেল্প লাইন ১০৯৮-এ। তারা শিশুটিকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে দিতে বলে। রেলওয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে ঢাকায় আনা হয় এবং স্থানীয় সমাজকর্মীরা শিশুর পরিবারের মাইকিং শুনে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। এরই মধ্যে পরিবার থানায় একটি জিডি করে।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার জিডির তথ্য পুলিশ হেড কোয়ার্টারে পাওয়া গেছে। তবে নিখোঁজের এই সংখ্যা মানেই তারা সবাই দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ নয়। অনিকের মতো অনেকেই ফিরে আসে পরিবারে। পুলিশ সদর দপ্তরের যাচাই করা তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশু উদ্ধার হয়েছে। এখনো ২ হাজার ৩৮ শিশুর সন্ধান মেলেনি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সি শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ৪৭৪টি সাধারণ ডায়ারি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে, এখনো সন্ধান মেলেনি ৬৮ জনের। অন্যদিকে ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সি শিশু নিখোঁজের সংখ্যা ১৫ হাজার ২৪৩। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ১ হাজার ৯৭০ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন জানান, হারিয়ে যাওয়া শিশুদের একটি বড় অংশ ১৪-১৭ বছরের মধ্যে, যারা বন্ধুদের সঙ্গে পালিয়ে যায়। পুলিশ হারিয়ে যাওয়া শিশুদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং অল্প সময়ের মধ্যে তাদের খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করে।

মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, সাইবারক্রাইম এখন শিশু পাচারের ক্ষেত্রে একটি বড় কারণ। শিশুরা ঘরে বসেই অনিরাপদ হয়ে পড়ছে। তিনি পাচার রোধে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেওয়া এবং গণমাধ্যমে প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd