• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকারের খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টনের বেশি পাইপলাইনে হামলার পর সৌদি আরবের তেল সরবরাহ বন্ধ ভিক্ষার টাকায় নিজের দাফন সম্পন্ন করলেন ওয়াহাব পাটোয়ারী সৌদি আরবের প্রতিবাদ, সিরিয়ায় নেতানিয়াহুর সফরকে অবৈধ ঘোষণা পাকিস্তানের অভিষিক্ত বোলারের রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে টেস্টে ফিরে আসা ইয়েমেনে হুথিদের ছদ্মবেশী যুদ্ধকৌশল নিয়ে উদ্বেগ বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর লাশের সঙ্গে ৫টি সুইসাইড নোট উদ্ধার এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল রেসে তরুণের মৃত্যু, বন্ধুরা পালিয়ে গেছে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় চীনা উপগ্রহের ছবি ব্যবহার করেছে ইরান শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ: উদ্বেগের কারণ

সীমান্তে চোরাচালান: সিমেন্টের বদলে আসছে ইয়াবা ও আইস

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সীমান্তে চোরাচালান: সিমেন্টের বদলে আসছে ইয়াবা ও আইস

২২

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান হয়ে আসছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার পর এই অবৈধ বাণিজ্যের ধরন বদলাতে শুরু করেছে। সীমান্তের ওপারে খাদ্য, জ্বালানি ও নির্মাণসামগ্রীর সংকট এবং বাংলাদেশের বাজারে সহজলভ্য পণ্যের ফারাক কাজে লাগিয়ে নতুন আন্তঃসীমান্ত চোরাচালান অর্থনীতি গড়ে উঠছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে যাচ্ছে সিমেন্ট, ওষুধ, চাল, ডাল, জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অপরদিকে, আসছে ইয়াবা ও আইসসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। অনেক ক্ষেত্রে নগদ টাকার পরিবর্তে মাদক-মুদ্রায় লেনদেন হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক মাজহারুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাত তীব্র হওয়ার পর রাখাইনের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও সরবরাহব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাজারে বাংলাদেশ ও ভারতের পণ্যের ওপর নির্ভরতা বাড়ে, যা বৈধ ও অবৈধ বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করে।

কোস্ট গার্ড ও বিজিবির অভিযানে বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় বিপুল সংখ্যক সিমেন্ট, খাদ্যদ্রব্য ও ওষুধ সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্য মিয়ানমারে যাওয়ার পর বিনিময় হিসেবে মাদক বিশেষ করে ইয়াবা ও আইস দেশে নিয়ে আসছে পাচারকারীরা।

উখিয়া-টেকনাফ সীমান্তে কোস্ট গার্ড ও বিজিবির নজরদারি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোরাচালানকারীরা সমুদ্রপথের দিকে ঝুঁকছে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, উপকূলীয় এলাকা এখন মাদক চোরাচালানের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd