• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত।  সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা পঞ্চগড়ে সড়কের টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব আত্মসাতের দাবি

যশোর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল ওষুধ গায়েবের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

মনির হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি / ৯২ Time View
Update : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

১২৮

যশোর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল ওষুধ গায়েবের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

 

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:-
যশোর সরকারি ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের ৫ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেট গায়েব হওয়ার অভিযোগের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ওষুধ গায়েবের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার আহসান কবীর বাপ্পী। তবে তদন্ত কমিটিতে কতজন সদস্য রয়েছেন বা কারা রয়েছেন, তা প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জুন মেডিসিন স্টোরের রেজিস্টারে স্বাক্ষর করে ৫ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেট গ্রহণ করেন ফার্মাসিস্ট জহুরুল ইসলাম। নিয়ম অনুযায়ী মেডিসিন স্টোর থেকে ওষুধ গ্রহণের পর তা হাসপাতালের ফার্মেসিতে জমা এবং রোগীদের মধ্যে বিতরণের হিসাব সংরক্ষণ করার কথা। কিন্তু ফার্মেসির রেজিস্টার পর্যালোচনা করে ওই ৫ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেট জমা ও বিতরণের যথাযথ হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক কর্মচারী জানান, ফার্মেসির ভেতর থেকেই কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের হিসাব না মেলার বিষয়টি প্রথমে প্রকাশ্যে আসে। ওই কর্মচারী দাবি করেন, এত বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ শুধু একজনের পক্ষে সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, হাসপাতালের ওষুধ ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন। সরকারি ওষুধ সরাসরি বাইরে বিক্রি করার সুযোগ না থাকলেও একটি চক্র কৌশলে ওষুধ মজুদ করে পরে তা ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করে দিতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে টেন্ডারের মাধ্যমে এক ওষুধ আবার জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সরবরাহ করা হলে সরকারি অর্থে সেই ওষুধের বিলও পরিশোধ করা হয়। এতে একই ওষুধ ঘুরেফিরে সরকারি ব্যবস্থার মধ্যেই থেকে যাওয়ার পাশাপাশি একটি চক্র আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ওষুধ গায়েবের ঘটনায় তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। কমিটি মেডিসিন স্টোর থেকে ওষুধ গ্রহণ, ফার্মেসিতে জমা, বিতরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত হিসাবসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করবে। পাশাপাশি ঘটনার সাথে কারও দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার আহসান কবীর বাপ্পী বলেন, ‘কেফুক্লেভ ট্যাবলেট গায়েবের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তারা গোপনে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেবেন।’

তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটির সদস্যদের নাম আগে থেকেই প্রকাশ হয়ে গেলে বিভিন্ন ধরনের তদবির বা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই তদন্তের স্বার্থেই কমিটির সদস্যদের পরিচয় গোপন রাখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd