রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্যারিস রোডে ‘জুডিসিয়াল কিলিং’ শিরোনামে একটি বিলবোর্ড স্থাপনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিলবোর্ডটিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত কয়েকজন ব্যক্তির ছবি রয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে বিলবোর্ডটি সরানোর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ছাত্রসংগঠন অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। অন্যদিকে, বিলবোর্ডের উদ্যোক্তা দাবি করেছেন, এটি বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের বিষয়টি তুলে ধরার প্রচেষ্টা।
জানা গেছে, রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘নোভোকালচার’-এর উদ্যোগে বিলবোর্ডটি স্থাপন করা হয়। এতে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।
বিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতারা বিলবোর্ডটি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, রাকসুর সহ-সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ দাবি করেছেন, বিলবোর্ডটির সঙ্গে রাকসুর কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই।
নোভোকালচারের পরিচালক সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, বিলবোর্ডের উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক প্রভাবে পরিচালিত বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের প্রশ্নটি সামনে আনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান জানিয়েছেন, বিলবোর্ড স্থাপনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহারের বিষয়টি জানানো হয়নি।