• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
১৫ বছরেও শেষ হয়নি লোকমান হোসেন হত্যা মামলার বিচার, নরসিংদীতে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন নরসিংদীর রায়পুরায় নদীর তীরে বস্তাবন্দি যুবকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার যশোরে শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যশোর, তলানিতে নড়াইল ক্যান্সার প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে দিনাজপুরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন এমপি ভারত থেকে ফিরে আসতে হলো ১০ বাংলাদেশি নারী নরসিংদীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, ১২ জনের বিরুদ্ধে নারীর লিখিত অভিযোগ গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত। 

উচ্চশিক্ষায় ২ হাজার কোটি টাকার অডিট আপত্তি

Reporter Name / ৭৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
উচ্চশিক্ষায় ২ হাজার কোটি টাকার অডিট আপত্তি

১০৬

দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩২টি খাতে মোট ২ হাজার ৩৯৬ কোটি ৯৩ লাখ ৭১ হাজার ৮৯৮ টাকার অডিট আপত্তি তোলা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি খাতকে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এসব খাতে আপত্তির পরিমাণ ৩৬৫ কোটি ১ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ টাকা। শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ, অর্গানোগ্রামের বাইরে পদোন্নতি এবং প্রাপ্যতার অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) জানিয়েছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত দুর্বলতা ও জবাবদিহির ঘাটতি রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক অধ্যাপক বলেন, সরকার প্রতি বছর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়। তবে আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা ও সুশাসনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসাবমান অনুসরণ করে কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ই পূর্ণাঙ্গ আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করছে না।

অডিটের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জনবল ব্যবস্থাপনা ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্তে বড় অঙ্কের আপত্তি তৈরি হয়েছে। অর্গানোগ্রামের বাইরে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত বেতন-ভাতা পরিশোধের ঘটনায় ৪৭ কোটি ৩৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৮ টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ভাতা দেওয়ার ঘটনায় ৩২ কোটি ৭৪ লাখ ৬ হাজার ৩৪৮ টাকার আপত্তি এসেছে।

অডিট অধিদপ্তর গবেষণা ও প্রশাসনিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত আর্থিক সুবিধা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ভাতা বাবদ ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৮৯ হাজার ১৮৭ টাকা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনে স্থিতিপত্র তৈরি এবং পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ফার্মের মাধ্যমে ‘এক্সটারনাল অডিট’ নিশ্চিত করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd