যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত এখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরেও প্রভাব ফেলছে। ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে, এই নির্বাচন ইরানের সঙ্গে সংঘাতের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর সামরিক চাপ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাড়াচ্ছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যা নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য রাজনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা নির্বাচনের আগে সংঘাত নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক হিসাব। ইরান যুদ্ধ বড় আকার ধারণ করলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।
একটি জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে সমর্থন করছেন, যেখানে ৬৩ শতাংশ এর বিরোধিতা করছেন। সংঘাতের কারণে ট্রাম্পের অনুমোদনের হারও কমে গেছে।
এদিকে, ওয়াশিংটন সামরিক অভিযানের পরিবর্তে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। আগস্টে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের তেল রাজস্বের সঙ্গে জড়িত ৬০টি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
নভেম্বরের নির্বাচন কেবল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করবে না, বরং ইরান যুদ্ধের পরবর্তী গতিপথও নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভোটের আগে সংঘাত নিয়ন্ত্রণে থাকবে, নাকি যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।