• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
অধ্যাপক সাঈদ-উর রহমানের মৃত্যু, শিক্ষা-সাহিত্য অঙ্গনে শোকের ছায়া এআইকে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচি হিসেবে নিতে হবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত রফিকুলকে সভাপতি ও রেজুয়ানকে সাধারন সম্পাদক করে ১৯সদস্য বিশিষ্ঠ সুনামগঞ্জ জেলা সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটি গঠন চট্টগ্রামে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জনের মৃত্যু ইসলামের নামে ঘৃণা ছড়ানোদের সমালোচনা করলেন রাশেদ খাঁন মোদী-শি বৈঠকে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভিন্ন বার্তা প্রকাশ বাড্ডায় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় যুবককে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি কর্ণফুলী ইপিজেডে দুই দশকে রপ্তানি ১৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান: যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করুন, নাগরিকদের মারবেন না

কুড়িগ্রামে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কুড়িগ্রামে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১৯

কুড়িগ্রামে আকর্ষণীয় মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১৫০ জন গ্রাহকের ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর চার নেতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগীরা। আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘ভুক্তভোগী মজলুম পরিবার’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই সমাবেশ থেকে আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালে জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, রোকন আবদুস সালাম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম যৌথভাবে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সুদমুক্ত ও শরিয়াহসম্মত ব্যবসার কথা বলে তারা স্থানীয় প্রায় ১৫০ জনের কাছ থেকে মোট ১২ কোটি টাকা আমানত হিসেবে সংগ্রহ করেন।

চুক্তি অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের প্রতি লাখে এক হাজার টাকা করে নিয়মিত মুনাফা দেওয়া হলেও ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে তা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ওই বছরের ১৬ নভেম্বর অভিযুক্তরা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপনে চলে যান এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

বিনিয়োগ করে সর্বস্বান্ত হওয়া ভোগডাঙ্গা এলাকার স্কুলশিক্ষক মোহফুজুল হক জানান, ২০২২ সালে রফিকুল ইসলাম ও শাহজালাল সবুজের উপস্থিতিতে বিভিন্ন কোম্পানির লাভজনক ডিলারশিপের কথা শুনে তিনি সাড়ে ৯ লাখ টাকা জমা দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত লভ্যাংশ পেলেও এরপর প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় বন্ধ পান।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান জানান, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলামকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং শাহজালাল সবুজের রোকন পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে অপর দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd