• বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
দিনাজপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র অবস্থান কর্মসূচি পালিত ধানমন্ডি ৩২-এ বিক্ষোভ শেষে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, উত্তেজনা দিনাজপুরে তিন প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা পুটিয়া ত্রিমোহনী বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৩ মিষ্টি ব্যবসায়ীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা।  শার্শায়১০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় বাহাদুপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু নরসিংদীতে অনুমোদন ছাড়া সরকারি বিদ্যালয়ের ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ, তদন্ত শুরু।  মনোহরদীতে অবৈধভাবে মজুদ ৪৮ ড্রাম সয়াবিন তেল জব্দ, মামলা প্রস্তুতিতে প্রশাসন ৭কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যশোরে আটক ২ দিমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনিত হওয়ায় ডা. জাহিদ হোসেনকে জেলা ড্যাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

নরসিংদীতে অনুমোদন ছাড়া সরকারি বিদ্যালয়ের ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ, তদন্ত শুরু। 

আর এ লায়ন সরকার / ৫৯ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

৭৩

 

নরসিংদীতে অনুমোদন ছাড়া সরকারি বিদ্যালয়ের ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ, তদন্ত শুরু।

আর এ লায়ন সরকার,নরসিংদী।

-বিধান, নিলাম প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন ভেঙে মালামাল বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ সামনে আসায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্তে নেমেছে প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার শীলমান্দী এলাকায় অবস্থিত ফারুক আজিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি সরকারি অর্থায়নে নির্মিত নতুন একাডেমিক ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম স্থানান্তর করা হলে বিদ্যালয়ের পুরোনো দুটি ভবনের ভবিষ্যৎ ব্যবহার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরই মধ্যে একটি ভবনের মালামাল বিক্রিকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিলাম বা লিখিত অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত ভবন এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে ভবনটি ভেঙে টিন, লোহার গ্রিল, দরজা-জানালাসহ বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন। এ সময় ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে সংশ্লিষ্ট ক্রেতা মালামাল ফেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক কিংবা এলাকাবাসীর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই ভবন ভাঙা ও মালামাল অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এছাড়া বিদ্যালয়ের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অতীতেও অনিয়মের অভিযোগ ছিল বলে দাবি করেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী সাহা। তিনি বলেন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশনার ভিত্তিতেই পরিত্যক্ত ভবনটি ভাঙা হয়েছে। মালামাল বিক্রির অভিযোগও তিনি সঠিক নয় বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কবির হোসাইন জানান, বিদ্যালয়ের ভবন ভাঙার জন্য কোনো মৌখিক বা লিখিত অনুমতি দেওয়া হয়নি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আসমা জাহান সরকার বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সম্পদ বা পরিত্যক্ত ভবনের মালামাল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে সেই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

এদিকে মালামাল ক্রয়কারী হিসেবে অভিযুক্ত গনি মিয়া গণমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ঘটনাটি সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ, জবাবদিহিতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তদারকি ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd