• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
অষ্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী ‘বড় শিন্নী’ উৎসব অনুষ্ঠিত করিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত ঈদ শেষে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি: তারাগঞ্জে দূরপাল্লার বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ মাধবদীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রশাসনের তৎপরতা, মোবাইল কোর্টে ১৪,৫০০ টাকা জরিমানা যশোর বেনাপোল সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির কড়াকড়িতে ব্যর্থ বিএসএফ শার্শায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শার্শায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রায়পুরায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বেনাপোল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার চামড়া পাচার ঠেকাতে  রংপুরের তারাগঞ্জে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা

নরসিংদী পৌর কবরস্থান: বরাদ্দ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, তবুও উন্নয়ন নেই—ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

আর এ লায়ন সরকার নরসিংদী। / ৩৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

৪৪৮

নরসিংদী পৌর কবরস্থান: বরাদ্দ ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, তবুও উন্নয়ন নেই—ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।

 

নরসিংদী পৌর এলাকার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কবরস্থানটি এখন যেন অবহেলা আর অনিয়মের এক করুণ উদাহরণে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ হওয়ার পরও কবরস্থানটির দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কবরস্থানটির অধিকাংশ জায়গায় হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। চারপাশে ঝোপঝাড় এতটাই ঘন যে দিনের বেলাতেও সাধারণ মানুষ সেখানে যেতে ভয় পান। মৃতদেহ দাফন তো দূরের কথা, স্বাভাবিকভাবে চলাচল করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বছরের অধিকাংশ সময়ই কবরস্থানটি পানির নিচে ডুবে থাকে, যেন এটি একটি পরিত্যক্ত জলাশয়ে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হোসেন জানান, আমরা নিজেরা ১০ হাজার টাকা করে চাঁদা তুলে কবরস্থানের একটি অংশে মাটি ভরাট করেছি। এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা। শুনেছি সরকারিভাবে বরাদ্দ এসেছে, কিন্তু সেই টাকা কোথায় গেল—তা আমরা জানি না।

আরেক বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, পৌর কবরস্থানটি এখন একটি জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও কাজ হয়নি কেন? এই টাকা গেল কোথায়—এ প্রশ্ন এখন সবার।”

এ বিষয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুর রহমান বলেন, “কিছু মাটি ইতোমধ্যে ফেলা হয়েছে। বাকি মাটিও ১-২ দিনের মধ্যে আনা হবে এবং কাজ শুরু হবে। তবে ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দিয়ে পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব নয়, বিভিন্ন দপ্তরে কিছু শতাংশ দিতে হয়।

অন্যদিকে, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, “দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কাজ শুরু হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই। তবে বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জেনেছি। অফিস সময়ে আসলে আপনাকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে যাব।

পৌর প্রশাসক শিউলি রহমান তিন্নীর অফিসিয়াল মুঠোফোনে ০১৭৬২৬৮৭০০১ একাধিকবার ফোন দিল রিসিভ না , হওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, পৌর প্রকৌশলী পর্যন্ত কবরস্থানটির সঠিক অবস্থান সম্পর্কে অবগত নন, যা দায়িত্বে অবহেলার গুরুতর দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা প্রকাশ করা হোক এবং কেন কাজ শুরু হয়নি বা বিলম্ব হচ্ছে—তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক। একইসঙ্গে কবরস্থানটি দ্রুত সংস্কার করে দাফনের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, কবরস্থানটির বর্তমান অবস্থা জনদুর্ভোগের পাশাপাশি একটি বড় ধরনের প্রশাসনিক ব্যর্থতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd