• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত রফিকুলকে সভাপতি ও রেজুয়ানকে সাধারন সম্পাদক করে ১৯সদস্য বিশিষ্ঠ সুনামগঞ্জ জেলা সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী কমিটি গঠন চট্টগ্রামে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ৪ জনের মৃত্যু ইসলামের নামে ঘৃণা ছড়ানোদের সমালোচনা করলেন রাশেদ খাঁন মোদী-শি বৈঠকে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভিন্ন বার্তা প্রকাশ বাড্ডায় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় যুবককে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি কর্ণফুলী ইপিজেডে দুই দশকে রপ্তানি ১৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান: যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করুন, নাগরিকদের মারবেন না ফরিদপুরে মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ, শ্রমিকদের সহায়তায় টাকা তোলার দাবি বিএনপির ঝাড়ু মিছিলের মাধ্যমে রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদ

কাতারে অবৈধ ভিসা দিয়ে প্রতারণা, দালাল জামালের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত ৫ পরিবার।

আর এ লায়ন সরকার নরসিংদী। / ৪৪৩ Time View
Update : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

৪২১

কাতারে অবৈধ ভিসা দিয়ে প্রতারণা, দালাল জামালের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত ৫ পরিবার।

আর এ লায়ন সরকার, নরসিংদী।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জাচর গ্রামে দালালের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন মোমেন মিয়াসহ অন্তত ৫টি পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে কাতারে বসবাসরত হানিফ মিয়ার ছেলে জামাল মিয়া বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের দরিদ্র পরিবারগুলোর কাছ থেকে কোটি টাকার প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, গত ০১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জামাল মিয়ার সাথে চুক্তি হয় এবং তার পরিবারের লোকজনের হাতে বিদেশে নেওয়ার আশ্বাসে প্রতিজন ৫ লক্ষ টাকা করে লেনদেন করা হয়। পরবর্তীতে তিনি ভুক্তভোগীদের কাতারের ১১০ দিনের একটি ওয়াক পারমিট ভিসা প্রদান করেন, যা সেখানে অবৈধ।

প্রতারিতরা অভিযোগ করেন, বিষয়টি জানাতে দালালের সাথে যোগাযোগ করলে জামাল মিয়া বাড়িতে ফোন করে জানায়—“ভালো কাজ পেতে হলে আরো ২ লক্ষ টাকা পাঠাতে হবে।” এই ছলচাতুরি করে তিনি গ্রামের শত শত পরিবারকে সর্বস্বান্ত করেছেন।

ভুক্তভোগী রতন মিয়া বলেন,
“আমি বিভিন্ন জায়গা থেকে ধার দেনা করে আমার ছেলেকে বিদেশে পাঠাই। কিন্তু দালালের মিথ্যা আশ্বাসে আজ সর্বশ্রান্ত হয়ে গেছি। পরে অন্যের কাছ থেকে ধার করে বিমান ভাড়া দিয়ে আমার ছেলে মোমেনকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে। দালাল জামালের স্ত্রী নুরুন্নাহার আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়েছে, যার রেকর্ড আমার কাছে রয়েছে।”

প্রতারণার এ চক্রে জামাল মিয়ার স্ত্রী নুরুন্নাহার, সহযোগী দালাল কালো মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম ও তাজুল ইসলামের ছেলে লিটন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় বলে জানা গেছে। জামাল মিয়ার পিতা হানিফ মিয়াকেও এ চক্রের প্রভাবশালী হিসেবে দায়ী করেছেন এলাকাবাসী।

বর্তমানে বাদী পরিবার ও দালালের পরিবার উভয়েই নরসিংদী শহরের বাদদীতে বসবাস করছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো টাকা ফেরতসহ দালাল জামালের সঠিক বিচার দাবি করেছেন। এ বিষয়ে জামাল মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে মামলাটি নরসিংদী ডিবিতে তদন্তাধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd