কর্ণফুলী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (কর্ণফুলী ইপিজেড) দুই দশকে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি করেছে। ২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইপিজেডটির উদ্বোধন করেন।

যাত্রার শুরুতে ২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম পণ্য রপ্তানি করে পাওলো ফুটওয়্যার (বিডি) লিমিটেড। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৯.৮৬ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়, যা ২০২৬ সালের আগস্ট শেষে ১৪ হাজার ১৫৬.৪৬ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

কর্ণফুলী ইপিজেডের রপ্তানি পোশাকশিল্পের বাইরে তাঁবু, ক্যাম্পিং সামগ্রী, বাইসাইকেল, চামড়াজাত পণ্য, ফার্নিচার, ব্যাগ, আন্ডারগার্মেন্টস, ফ্যাশন ও সেফটি শু অন্তর্ভুক্ত। এসব পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করা হয়।

কর্ণফুলী ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ সিদ্দিক জানান, ১৯৯৮ সালে চিটাগাং স্টিল মিলসের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০০৪ সালে ২২২.৪২ একর জমি বেপজার কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়।

বর্তমানে ১৪টি দেশের বিনিয়োগকারীরা কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগ করেছেন। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ১.৯১ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ দিয়ে শুরু হওয়া ইপিজেডটিতে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৭৮৭.৩৩ মিলিয়ন ডলারে। বর্তমানে ৪০টি প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে রয়েছে, যার মধ্যে ২৯টি শতভাগ বিদেশি।