ইরাক থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলের ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলায় একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তেল সরবরাহ লাইনটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, তারা লোহিত সাগর উপকূল এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। হুথিরা টানা এক সপ্তাহের তীব্র অভিযানের পর বাব এল-মানদেব প্রণালি, মায়্যুন দ্বীপ এবং গ্রেটার ও লেসার হানিশ দ্বীপসহ পার্শ্ববর্তী সমুদ্রে অবস্থিত সব ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে।

এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হুথিদের হাতে চলে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে বড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব হরমুজ প্রণালি ইরান কর্তৃক অবরুদ্ধ থাকার পর লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানির জন্য ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেন ড্রোন হামলার জন্য ইরাকি ভূখণ্ডকে দায়ী করে এ ধরনের আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তবে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে সৌদির ওপর আর কোনো হামলা না করার জন্য বাগদাদকে সুযোগ দিচ্ছে রিয়াদ।

সৌদি আরব তাদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের রক্ষায় যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার নিজেদের সংরক্ষিত রেখেছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে হরমুজ প্রণালির বর্তমান অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে আসন্ন সোমবার ওমানে গালফ দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ইরান।