ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের প্রতিবাদ: প্রকৃত সত্য প্রকাশ।

নরসিংদী জেলা।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে নরসিংদীর পুটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং বর্তমানে মনোহরদী উপজেলার চন্দনবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বহুতল ভবন, বিপুল সম্পত্তি এবং ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগসংবলিত বিভিন্ন সংবাদ ও পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

তার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একজন কথিত সাংবাদিক তাকে দিয়ে আইনবহির্ভূত একটি কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। তবে সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করায় তিনি ওই প্রস্তাবে সম্মত হননি। এরপর থেকেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিভ্রান্তির অভিযোগ

আলিম উদ্দিনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, একটি তদন্ত প্রতিবেদনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, আদালত ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ১৪৫ ধারার একটি মামলায় স্মারক নং—পুটিয়া/ইউ:ভূ:অ:/২০২৬-০১, তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ অনুযায়ী সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

তার দাবি, ওই প্রতিবেদনে কোনো পক্ষের প্রতি পক্ষপাত না করে সরেজমিনে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আর.এস. ৭৬৭ নম্বর দাগের জমির বাউন্ডারি ওয়াল ও মালিকানা-সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরা হয়েছিল। প্রতিবেদনে কোনো পক্ষকে বেআইনি সুবিধা দেওয়ার সুযোগ না থাকায় ক্ষুব্ধ হয়ে একটি মহল তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

প্রকৃত তথ্য প্রকাশের আহ্বান

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি সবসময় আইন, বিধি ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত ঘুষ, দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ বা অনিয়মের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।

একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই, অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষভাবে তথ্য উপস্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

তার ভাষ্য, “মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারের মাধ্যমে একজন সরকারি কর্মকর্তার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সত্য প্রকাশ করা হোক।”