বাগেরহাটের খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া ‘ধলাপাহাড়’ নামের কুমিরটি বর্তমানে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে রয়েছে।

গত ১২ আগস্ট খুলনার বয়রার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় কুমিরটিকে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আনা হয়। পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম রোববার (২৩ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঞ্জুরুল আলম জানান, ‘ধলাপাহাড়’কে বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। পার্কের দিঘিতে সপ্তাহে একদিন তাকে খাবার দেওয়া হয়। এখানে আনার পরদিন কুমিরটি একটি জীবিত মুরগি খেয়েছিল, তবে এরপর আর তাকে খাবার খেতে দেখা যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, বন্দি অবস্থায় কুমির দীর্ঘ সময় খাবার না খেলেও উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। নতুন পরিবেশে এসে কিছুদিন খাবার না খাওয়া তাদের জন্য স্বাভাবিক। কুমিরের শক্তির চাহিদা তুলনামূলক কম হওয়ায় জোর করে খাবার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি। ২০০৪ সালে ভারতের মাদ্রাজ ক্রোকোডাইল ব্যাংক থেকে খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের দিঘিতে আনা ছয়টি কুমিরের মধ্যে এটি বর্তমানে জীবিত থাকা শেষ কুমির।