জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে আট প্রার্থী রয়েছেন। বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর মধ্যে বিভক্তি থাকায় এখনই কাউকে এগিয়ে রাখা কঠিন বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা। প্রথম দফার অনানুষ্ঠানিক ভোটে সবচেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান।
নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৯টি ভোট প্রয়োজন। তবে পাঁচ স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়ার ভেটো এড়াতে হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের পর নাম সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।
প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রেবেকা গ্রিনস্প্যান, আর্জেন্টিনার আইএইএ মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাচেলেট, ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা, গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট, ইকুয়েডরের কূটনীতিক ইভোনে এ-বাকি, উগান্ডার ওলার অতুনু এবং সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল।
গ্রিনস্প্যান বর্তমানে আঙ্কটাডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং তিনি কৃষ্ণসাগর দিয়ে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ব্যাচেলেট ২০০৬ সালে চিলির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এসপিনোসা জাতিসংঘের সংস্কারের পক্ষে কথা বলেছেন এবং সম্ভাব্য সংঘাতের লক্ষণ শনাক্ত করতে ‘আর্লি ওয়ার্নিং’ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন। গ্রোসি ২০১৯ সাল থেকে আইএইএর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং জাতিসংঘ সংস্কারের বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।