ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের অডিট কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ উঠেছে। ভাটদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমানের কাছ থেকে কাজ করে দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও ফুটেজ স্থানীয় সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।

শিক্ষক মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, সেবা নিতে গিয়ে তিনি হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হয়েছেন এবং ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছেন। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগের একটি ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে।

মাহবুবুর রহমান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি ঋণের জন্য হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে ঘোরাঘুরি করছিলেন। ঋণের টাকা না পাওয়ায় তাকে ধারদেনা করতে হচ্ছে এবং বারবার ঘোরানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে টাকা দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে ভিডিও ফুটেজ সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তিনি বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে তদবির করতে শুরু করেন এবং প্রতিবেদককে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মুহাম্মাদ মসিউর রহমান খান বলেন, ‘ছেলেটা একটা ভুল করে ফেলেছে। আমরা তো আপনাদেরই ভাই, ওকে একটা সুযোগ দিন।’ বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে উৎকোচ নেওয়া অপরাধ এবং তদন্ত করে দেখা হবে।