সুস্থ থাকতে সুষম খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এমন খাবার রাখা জরুরি, যাতে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পায়। এ ক্ষেত্রে টক দই একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
দুধ থেকে তৈরি হলেও টক দই অনেকের কাছে সহজপাচ্য। দুধে থাকা ল্যাকটোজ ব্যাকটেরিয়ার গাঁজন প্রক্রিয়ায় আংশিকভাবে ভেঙে যায়, ফলে যাঁদের দুধ খেলে অস্বস্তি হয়, তাঁদের জন্য টক দই সহনীয় হতে পারে। তবে ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা থাকলে সবার ক্ষেত্রে একই প্রতিক্রিয়া হবে না।
টক দইয়ে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, রাইবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি৬ ও বি১২সহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে টক দই কোনো হজমের রোগের চিকিৎসা নয়।
টক দইয়ের পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে পারে। তবে টক দই খেলেই রোগ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়, এমন দাবি করা যায় না।
ওজন নিয়ন্ত্রণে টক দই সহায়ক হতে পারে, তবে এটি একা কোনো ম্যাজিক খাবার নয়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে টক দই খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি।
সব মিলিয়ে, টক দই পুষ্টিকর একটি খাবার। তবে সুস্থ থাকার জন্য নিয়মিত সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন।