চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (২য় আদালত) বিচারক মো. উজ্জল মাহমুদের খাস কামরা আজ রোববার দুপুরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও দলটির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে আদালতের এজলাস কক্ষেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় যুবদল নেতা তুফান আলীকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই মামলায় আরও ৪ বিএনপি নেতা আদালতে জামিন আবেদন করলে, বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তুফানের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি বিচারক উজ্জল মাহমুদ।

এ সময় বিচারক এজলাসের ভেতরে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং লোডশেডিংয়ের কারণে অতিরিক্ত লোকজনকে এজলাস ত্যাগ করতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন নেতাকর্মীরা। পরে বিচারক খাস কামরায় চলে গেলে সেখানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেন। তারা বিচারক উজ্জল মাহমুদকে ফ্যাসিস্টদের দোসর উল্লেখ করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের আল্টিমেটাম দেন।

বিএনপি নেতাকর্মীরা ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, বিচারক তুফানের জামিনের বিষয়ে টালবাহানা করেছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল ওদুদ জানান, আসামির জামিনের আবেদনের আগেই বিচারক এজলাস ত্যাগ করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। বিচারকের খাস কামরা ভাঙচুরের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।