রংপুরের তারাগঞ্জ ও নরসিংদীর মনোহরদীতে পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে ও বিকেলে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। চার শিশুর মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় দুটি ঘটনায় সাফায়াত (২) ও সিদরাতুল মুনতাহা (১৯ মাস) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আলমপুর ইউনিয়নের চাকলা গ্রামে বাড়ির পাশে একটি ডোবায় পড়ে মারা যায় সাফায়াত। সে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বাংলীপুর ইউনিয়নের নবী হোসেনের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাফায়াত তার খালার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।

বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে সয়ার ইউনিয়নের দামোদরপুর মামুনপাড়া গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায় সিদরাতুল মুনতাহা। সে ওই গ্রামের মো. মহব্বত আলীর মেয়ে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মুনতাহা পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশে খেলছিল। পরে পুকুর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নরসিংদীর মনোহরদীতে সড়কের পাশের ডোবায় ডুবে তাওহীদ (৭) ও নাবিল (৬) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের নোয়াদিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুই শিশু সম্পর্কে ফুফাতো ভাই। স্থানীয় সূত্র জানায়, নাবিল ও তাওহীদ সড়কে ঘুরতে বের হয়েছিল। একপর্যায়ে নাবিল ডোবায় পড়ে যায় এবং তাকে টেনে তুলতে গিয়ে তাওহীদও ডোবায় পড়ে যায়।

দুই শিশুকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, নিহত দুই শিশুর পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ দুটি বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়েছে।