গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘমেয়াদি চর্চা ও সহনশীলতার প্রয়োজন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাস্তায় নেমে চাপ সৃষ্টি করা গণতন্ত্রকে দুর্বল করে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আয়োজনে ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়, এটি একটি সংস্কৃতি। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে কখনোই দীর্ঘ সময় ধরে নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকেনি।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দেয়া গণতান্ত্রিক আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি সহনশীলতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, ভিন্নমতকে সম্মান করা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে সত্য তুলে ধরতে হবে। তিনি জানান, দেশের সংবাদমাধ্যমের মালিকানা কাঠামো সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পথে বড় বাধা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমানে একটি শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠেছে এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ধৈর্য ও গণতান্ত্রিক চর্চার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে।