দিনাজপুরের বিরামপুরে এক পুলিশ সদস্যকে লাথি মারার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির এক নেতার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দুই নেতার নাম উল্লেখসহ আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (০৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিরামপুর থানা পুলিশ। সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে খাস পুকুর ইজারা জমা দেওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত রাহাদুজ্জামান পরাগ (২৭) দিওড় ইউনিয়নের ধানঘরা গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী ওরফে বাবুর ছেলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাতের দিকে বিরামপুর থানার এক উপ-পরিদর্শক বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার প্রধান আসামি রাহাদুজ্জামান পরাগ এবং অপর আসামি পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার বেলা ১১টা থেকে ইউএনও কার্যালয়ে পুকুর ইজারার আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছিল। দুপুর পৌনে ২টার দিকে কয়েকজন আবেদন জমা দেওয়ায় হট্টগোল শুরু হয়। এ সময় কনস্টেবল নুরুজ্জামান সরকার পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ভিডিও ধারণে বাধা দিয়ে অভিযুক্তরা তাকে ধাক্কাধাক্কি করেন এবং একপর্যায়ে লাথি মারেন।
ঘটনার পর বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইউএনওর কার্যালয়ে প্রশাসন ও উপজেলা বিএনপির নেতাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও তানজিনা খাতুন বলেন, তিনি বিষয়টি ভিডিও ফুটেজে দেখেছেন এবং অভিযোগের বিষয়ে শুনেছেন। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
বিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম আল মামুন জানান, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।