রায়পুরা-৫: ষড়যন্ত্র ব্যর্থ — ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল আরও শক্তিশালীভাবে সামনে।

 

আর এ লায়ন সরকার, নরসিংদী।

 

রায়পুরা, নরসিংদী — রায়পুরা-৫ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রকাশ্যে ও গোপনে নিজ দলীয় কিছু হাইব্রিড সদস্যের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে

কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এখন আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন।

 

সংবাদকর্তাকে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, আশরাফ উদ্দিন বকুলের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র চলছে—রায়পুরার ২৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়ন অন্য উপজেলায় স্থানান্তর করে ভোট ব্যাংক নষ্ট করার চেষ্টাসহ—সেসব কৌশল কোনোভাবেই সফল হয়নি। জনগণের আস্থা ও ঐক্যই আমাদের প্রকৃত শক্তি।”

 

উৎস থেকে জানা যায়, দলীয় অভ্যন্তরীণ কিছু সদস্য (যাদের স্থানীয় ভাষায় ‘হাইব্রিড’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে) ক্ষমতা প্রদানের উদ্দেশ্যে নানানভাবে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছিল। পরিকল্পনার অন্যতম কৌশল ছিল নির্বাচনী এলাকা পুনর্গঠন করে নির্দিষ্ট ইউনিয়নগুলো আলাদা উপজেলায় যুক্ত করা, যাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোট ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রার্থীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয়। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর জনসমর্থন ও নেতৃবৃন্দের ঐক্যবদ্ধ স্বার্থে ঐ ষড়যন্ত্র ধরা পড়ে ও ব্যর্থ হয়।

 

স্থানীয় নেতারা জানান, “প্রকৃত নেতা মাঠেই দাঁড়ান; ষড়যন্ত্রকারীরা তা বুঝতে পারেননি। জনসমর্থন ও সুসংগঠিত প্রচারণাই শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেছে।”

 

ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় পর্যায়ে কাজ করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান—যা তার রাজনৈতিক অবদান ও দলের আস্থার প্রতীক বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন। রায়পুরা-৫ আসনের রাজনৈতিক সুর মিলিয়ে দেখা যায়, মাটি ও জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগই এখানে রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি।

 

 

রাজনৈতিক অস্থিরতায় স্থানীয় ইউনিয়ন সংযুক্তি বা এলাকা পরিবর্তন করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা নতুন নয়; তবু সফলতার পথ কঠিন। এই ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও জনসমর্থন যদি আরও সংগঠিত থাকে, তাহলে কোনো কৌশলই স্থায়ী সুবিধা দিতে পারেনা—এটাই প্রাসঙ্গিক শিক্ষণীয় বিষয়।

 

 

বকুল বলেন, “এখন প্রতিশোধের নয়; কাজের সময়। আমি আমার এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উন্নয়নকাজ ও সেবা নিশ্চিত করবো।” উন্নয়নমূলক কাজ শুরুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টি নজরদারিতে রাখছেন এবং বলছেন, ভবিষ্যতে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ও দুর্বললিংক খুঁজে শক্তভাবে মোকাবিলার জন্য স্থানীয় সংগঠনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ন হবে।

রায়পুরা-৫ এ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে দাঁড় করাতে চাওয়া এক দলীয় ষড়যন্ত্র ধরা পড়ে ব্যর্থ হয়; তিনি এখন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকের মর্যাদায় আরও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন এবং আগামীদিনে উন্নয়ন ও জনসেবায় গুরুত্ব দিয়েছেন।

 

রায়পুরার জনগণ আশা করেন ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে রায়পুরাতে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন এবং দুঃসময়ের মতো করে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে ভবিষ্যৎও কাজ করে যাবেন।