সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কাটাগাড়ী আঞ্চলিক সড়কের মেরামত কাজ শেষ না হতেই ধস দেখা দিয়েছে। সড়কের দুই পাশে শোল্ডার ও স্লোপ না করায় নির্মাণাধীন সড়কটি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বরাবর ১১০ জনের স্বাক্ষর করা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কাটাগাড়ী আঞ্চলিক সড়ক মেরামত কাজ ঠিকাদারের ইচ্ছেমতো চলছে। সড়কের দুই পাশে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বালু দিয়ে সাব-বেজ তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে সড়কের পাশে মাটি ফেলে শোাল্ডার তৈরি ও স্লোপ না করায় সড়কের মাটি ধসে পড়ছে।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় তাড়াশ উপজেলা হেডকোয়ার্টার থেকে কাটাগাড়ী পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার সড়ক মেরামতের কাজ চলছে। চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড ১৯ কোটি ৩৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৯৫ টাকার চুক্তিতে কাজটি পেয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোমিন মুজিবুল হক প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি ঠিকাদারকে নিম্নমান নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সিরাজগঞ্জের দুই ঠিকাদারের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক জানিয়েছেন, ঠিকাদারকে ১৮ বার নোটিশ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তারা কোনো নিয়ম মানছেন না। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান বলেছেন, শোল্ডার ও স্লোপ না করে সড়ক মেরামত করা হলে ধস অব避্য। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।