আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি জনসমক্ষে আর দেখা দেননি। এর আগে তিনি বলেছিলেন, ‘পালাব না। কোথায় পালাব!’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট দেশ ছাড়ার পর কাদেরের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, তিনি যশোর সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে গেছেন অথবা সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন। অন্য একটি মত ছিল যে, তিনি দেশের ভেতরেই আত্মগোপনে ছিলেন।
দৈনিক মানবজমিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের পর প্রায় তিন মাস পাঁচ দিন কাদের বাংলাদেশেই আত্মগোপনে ছিলেন এবং ৮ নভেম্বর তিনি শিলং হয়ে কলকাতায় পৌঁছান। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ভারতে আশ্রয়ের বিষয়ে তার পক্ষে তদবির করা হয়েছিল।
এই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও কাদেরকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি। আদালত ১৫ দিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়।
এদিকে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, সরকারের কাছে কাদেরের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি জানতাম তিনি কোথায় আছেন, তাহলে অবশ্যই তাকে গ্রেপ্তার করা হতো।’