শরীয়তপুরের ডামুড্যায় দলিলে ঘষামাজা (টেম্পারিং) করে জমির পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগে জুলহাস উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ডামুড্যা উপজেলা ভূমি অফিসে বিবিধ মোকদ্দমার শুনানি চলাকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জুলহাস উদ্দিন উপজেলার ধানোকাঠী ইউনিয়নের সম্ভুকাটি এলাকার বাসিন্দা।

উপজেলা ভূমি অফিস ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার শুনানির সময় জুলহাস উদ্দিন একটি দলিল উপস্থাপন করেন। সেখানে ২০ শতক জমি হস্তান্তরের কথা উল্লেখ থাকলেও বিভিন্ন পাতায় পরিমাণের অংশে ঘষামাজার স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়।

শরীয়তপুর সদর মহাফেজখানায় সংরক্ষিত বালাম বই যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ওই দলিলের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে ১০ শতক জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল। টেম্পারিং করা দলিলের ভিত্তিতে জুলহাস ইতোমধ্যে ১২ শতক জমি নিজের নামে নামজারি করিয়েছেন।

জুলহাস উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজের ভাই হারুন গাছার নামে থাকা নামজারি খতিয়ান বাতিলের আবেদন করেছেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভাই অফিসকে ভুল বুঝিয়ে জমি বেশি নামজারি করিয়েছেন এবং মূল দলিল অনুযায়ী ২০ শতক জমি তারই প্রাপ্য।

ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুর রহমান বলেন, ভূমি সংক্রান্ত কোনো ধরনের প্রতারণা বা জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না। ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।