
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ট্রাকভর্তি সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। গত ২৬ আগস্ট রাতে এই ঘটনা ঘটে, তবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয় ২৮ সেপ্টেম্বর।
দুদক টাঙ্গাইলের উপপরিচালক ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন কার্যালয়, ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঘাটাইল থানায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবনে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ অগোছালোভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
দুদক জানিয়েছে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওষুধের মেয়াদ ও ব্যবহারযোগ্যতা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি। ফখরুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতি, অনিয়ম ও আলামত নষ্টের প্রমাণ পাওয়া গেছে।”
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, তবে এসব কমিটির প্রতিবেদন এখনও প্রকাশ হয়নি। দুদক কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সম্পদ আত্মসাতের বিষয়টি আড়াল করতে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।
ঘটনার পর ট্রাকচালক আজমতকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ২৯ আগস্ট ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মুহাম্মদ সোহেলকে ওএসডি করা হয়।