
চট্টগ্রামে সম্প্রতি ৯ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুকে ইয়াবা পাচারের সময় আটক করা হয়েছে। তাদের পেট থেকে প্রায় ৭ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি চক্র অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে এই কোমলমতি শিশুদের ব্যবহার করছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে মাদক পরিবহন ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িতদের প্রায় ২৫ শতাংশই শিশু, যাদের অধিকাংশের বয়স ১৬ বছরের নিচে। এছাড়া, রাজধানী ঢাকায় ১৫ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের মাদক বিক্রির সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
উন্নত বিশ্বে শিশুরা অপরাধে জড়িয়ে পড়লে শুধু অপরাধের বিচার করা হয় না, বরং তাদের ব্যবহারকারী এবং পরিস্থিতি নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করা হয়। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, শিশুদের মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবহার এবং পাচারে ব্যবহারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, “তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে রক্ষা করো।” কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, শিশুরা নানা কারণে অপরাধী চক্রের শিকার হচ্ছে। এটি মানবিকতার চরম পরাজয়।
শিশুদের শৈশবকে রক্ষা করা এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। একটি সমাজের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।