
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) একটি স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত আক্রমণের ফল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
৩ সেপ্টেম্বর রাতে রাশেদ খাঁন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই দাবি করেন। তিনি জানান, উন্নত চিকিৎসার পরও মির্জা আব্বাস পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, যা সংসদে উপস্থিত সবাইকে স্তব্ধ করে দেয়।
বর্তমানে মির্জা আব্বাস স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না এবং কথা বলার সময় তার অস্পষ্টতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাশেদ খাঁন বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করতে হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। এমনকি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় থাকার সময়ও তার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করা হয়েছে।
রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, দীর্ঘমেয়াদি মানসিক নিপীড়ন স্ট্রোকের একটি বড় কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের সময় মির্জা আব্বাসকে বিভিন্ন অপবাদ দেওয়া হয়েছিল এবং হাসপাতালে তার ওপর হেনস্তা চালানো হয়েছিল।
রাশেদ খাঁন দাবি করেন, এসব অবিচার ও মিথ্যা অপবাদ মানসিকভাবে মেনে নিতে না পেরে মির্জা আব্বাস স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন। ফলে তার অসুস্থতা একটি আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত মানসিক অত্যাচারের ফল।